Writer : Joydeep Chakraborty
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Romance (Story & Novels)
- Publication Year : 2026
- ISBN No : 978-81-992975-9-3
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 168
- Weight : 499 gms
- Height x Width x Depth : 09x06x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
‘অসমাপ্ত প্রেমপত্র’-এ জয়দীপ চক্রবর্তী এমন দু’টি গভীর আবেগময় উপন্যাস বুনেছেন যেখানে প্রেম শুধু রোমান্স নয় — এটা স্মৃতি, আকুলতা, স্বপ্ন, আর প্রতিদিনের জীবনের নীরব রাজনীতি।
প্রথম উপন্যাসটা শুরু হয় যখন কিশোর ঋভু আলমারির ভেতর লুকোনো বাবার গোপন ডায়েরি খুঁজে পায়। সেই ব্যক্তিগত পাতাগুলোর টানে ঋভু ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ে এক অদ্ভুত জগতে। সে কল্পনা করতে শুরু করে—তার বাবার মতো সেও যদি একদিন প্রেমপত্র লিখতে পারে! মনে মনে, নিঃশব্দে, সে তার প্রিয় তিতিরকে উদ্দেশ করে চিঠি লিখতে শুরু করে। কিন্তু তিতির কি কোনোদিন সেই চিঠিগুলো পাবে? আর ঋভুর বাবা কেন এত মরিয়া তাকে একজন “সফল ইঞ্জিনিয়ার” বানাতে? সেই স্বপ্নের আড়ালে তিনি ঠিক কী সত্য লুকিয়ে রেখেছেন? বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনো ঋভু আচমকাই আলমারির লুকোনো দেরাজে আবিষ্কার করে তার বাবার লেখা একটা পুরোনো ডায়েরি। ডায়েরির প্রতিটি অক্ষরমালায় আচ্ছন্ন হয়ে সে স্বপ্ন দেখে, একদিন বাবার মতো প্রেমপত্র লিখবে। তার প্রেমিকা তিতিরের জন্যে মনে মনে নিরন্তর চিঠি লিখতে থাকে সে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিতির কি পাবে সেই চিঠি?
কেন বাবা ঋভুকে মস্ত ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়? কোন গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে এর পেছনে? হেমন্তের পাতাঝরা বিকেলের মতো বিষণ্ণ-সুন্দর উপন্যাস 'অসমাপ্ত প্রেমপত্র', যা পাঠক-মনে ছড়িয়ে দেয় এক আশ্চর্য সুখ-কষ্ট।
দ্বিতীয় উপন্যাস ‘যখন সন্ধ্যা নামে’ খুলে দেয় আরও বড় এক দিগন্ত, মুখ্যত প্রেমের উপন্যাস হয়েও বিগত শতকের আট-নয় দশকের গ্রাম-মফস্সলের সমাজ ও রাজনীতির এক আশ্চর্য দলিল।। এটা একদিকে যেমন প্রেমের গল্প, তেমনই ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকের গ্রাম আর ছোট শহরের বাংলার এক জীবন্ত ছবি। পুঁজিবাদসর্বস্ব রাজনীতির বিপ্রতীপে শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল একদল মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ। ঈশ্বরের সামনে মাথা খুঁড়ে না মরে তারা নিজের পরিশ্রমে গড়তে চেয়েছিল চারপাশের দুনিয়া। সেই সময়ে মধ্যবিত্ত আর শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ এক ন্যায্য সমাজের স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিল। লোভ আর ভয়ের বাইরে গিয়ে, নিজেদের পরিশ্রম আর সাহসেই তারা নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে চেয়েছিল।
লোভ ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে শেষপর্যন্ত নতুন সমাজ গঠনের সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে কি তারা?
